অনুপ রায়চৌধুরী
ক্রুশবিদ্ধ বিবেকানন্দ
অনুপ রায়চৌধুরী
দুঃখভারে জর্জরিত যে যেখানে আছ, সব এসো— তোমাদের সব বোঝা আমার উপর ফেলে দিয়ে যাও। তোমরা সুখী হও! ভুলে যাও— আমি একজন কোনওকালে ছিলাম!
—স্বামী বিবেকানন্দ
জিশু ক্রুশবিদ্ধ হয়েছেন একবার, কিন্তু বিবেকানন্দ শতবার! বিবেকানন্দের এই রক্তঝরা ছিল অপ্রকাশ্যে, নিভৃতে ও সঙ্গোপনে। ভারত ও বিশ্বের কল্যাণের জন্য তাঁকে ক্রুশের কাষ্ঠখণ্ড কাঁধে নিতে হয়েছিল। ঝঞ্ঝাময় বিবেকানন্দের জীবননাট্য ছিল সংঘাতের গতিতে ক্ষিপ্র, সহস্র যন্ত্রণা, তীব্র শরাঘাত, মিথ্যা অপবাদ এবং বেদনায় বিদ্ধ। ‘আমার দুঃখ কেউ বোঝে না রে!’— কোনও এক যন্ত্রণাকাতর মুহূর্তে স্বামীজির এই ক্রন্দনধ্বনি শুনেছিলেন স্বামী তুরীয়ানন্দ। মনে হয়, মানবেতিহাসে আর কোনও মহাপুরুষকে এত দুঃখ-কষ্ট পোহাতে হয়নি। বিবেকানন্দ-জীবনের এই অধ্যায় না জানলে বিবেকানন্দ-পরিক্রমা অসম্পূর্ণ থাকবে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি