মাঝের দরজা
সায়ন্তন ঠাকুর
এই উপন্যাস ভয়ের, মানুষের জীবনে যত ধরণের ভয় থাকে তাদের স্পর্শ করে গেছে কাহিনি। কলকাতা শহর এই আখ্যানের অন্যতম প্রধান কুশীলব, ঠিক আমাদের চেনা শহর নয়, বরং এই শহরের অন্তরমহলে লুকিয়ে থাকা আরেকটি ভিন্ন কলকাতা এখানে জেগে উঠেছে। সেই শহরে একটি চরিত্রের নাম জুডাস, তার সঙ্গিনীর নাম ভেরোনিকা! তারা জড়িয়ে পড়ছে একটি প্রাচীন কিংবদন্তীর ছায়ায়, ভুবন বিখ্যাত এক্সরসিস্ট ফাদার গ্যাব্রিয়েল অ্যামরোথের একখানি অপ্রকাশিত ডায়ারি সুদূর ইতালি থেকে চোরাপথে এসে পৌঁছেছে কলকাতা শহরে আর সেটিকে কেন্দ্র করেই হয়ে চলেছে একের পর এক নৃশংস হত্যা ও এমন সব ঘটনা এই জগতের নিয়মে যাদের ব্যাখ্যা অসম্ভব। শেষ পর্যন্ত মানুষের সমস্ত ভয়ের উৎস কি তাহলে ওই ‘দ্য ডোর অব ডেথ?’, যাকে লেখক এই উপন্যাসে বলেছেন ‘মাঝের দরজা’? কেমন ওই দরজার ওপারের জগত? সেই উত্তর, ক্যাথলিক জগত, ক্রিশ্চিয়ান কিংবদন্তী আর এক্সরসিসম নিয়েই তৈরি হয়েছে সায়ন্তন ঠাকুরের এই নতুন ভয়ের উপন্যাস।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি