অতিমারীর কালবেলায়
দিব্যেন্দু দাস
একবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয় দশকের শেষে করোনা অতিমারী যেন গোটা পৃথিবীটাকে করে তোলে এক মৃত্যু-উপত্যকা। অতিমারী মানুষকে বাধ্য করেছে পরস্পরের থেকে 'বিচ্ছিন্ন' হয়ে বেঁচে থাকতে। করোনা অতিমারী মানুষের অসহায়তাকে প্রকট করে তুলেছে। সামনে এনে দিয়েছে বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য পরিকাঠামোর সীমাবদ্ধতাকে অভাবনীয় অপ্রত্যাশিত, আকস্মিক এক ব্যাধির কার্যকর মোকাবিলায়। অতিমারী দেখিয়েছে আর্তের সেবায় বিশ্বজুড়ে অগণিত মানুষের পরার্থপরতা। সামনে এসেছে কিছু মানুষের স্বার্থপরতাও। এছাড়া, অতিমারীর আবহেও কিন্তু থেমে থাকেনি বিশ্বের নানা প্রান্তে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, সামাজিক, সামরিক এবং আদর্শগত টানাপোড়েন। উঠে এসেছে জর্জ ফ্রয়েডের মৃত্যু, কিম জং উনকে নিয়ে নানা খবর, পরিযায়ী শ্রমিকদের জীবন যন্ত্রণা, করোনা নিয়ে ষড়যন্ত্রের নানা তত্ত্ব তথা অভিযোগ, গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের মৃত্যু, তবলিগি জামাতের সমাবেশ ঘিরে প্রবল বিতর্ক, ভ্যাকসিন নিয়ে মানুষের দোলাচল, লাদাখে ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাত, হাথরসে দলিত তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতি ইত্যাদি অসংখ্য ঘটনা। অতিমারীর সময়ের দর্পণ এই গ্রন্থ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি