রবীন্দ্র সরণী
প্রমথনাথ বিশী
নিবেদন
রবীন্দ্র-সরণী মানে রবীন্দ্র-পথ। রবীন্দ্রনাথের কবিত্ব ও ব্যক্তিত্ব যে পথ অনুসরণ করে, অনেকাংশে রচনা করে চলে গিয়েছে-সেই পথের একটা খসড়া মানচিত্র আঁকতে চেষ্টা করেছি বইখানায়। রবীন্দ্রনাথের যাবতীয় রচনা ও কর্মকে একটি তত্ত্বসূত্রে গ্রথিত করবার চেষ্টা করেছি। সে সূত্রটি তিনি নিজেই যুগিয়ে গিয়েছেন -"আমার তো মনে হয়, আমার কাব্য রচনার একটি মাত্র পালা। সে পালার নাম দেওয়া যেতে পারে, সীমার মধ্যেই অসীমের সহিত মিলন সাধনের পালা।" সীমার মধ্যেই অসীমের সঙ্গে মিলন সাধন তাঁর কাব্যে ও জীবনে হয়েছে কিনা এ তর্ক স্বতন্ত্র। বস্তুত সেটাই এই গ্রন্থের আলোচনার বিষয়। কাজেই ভূমিকায় তার আলোচনা অনাবশ্যক।
'বলাকা' পর্যন্ত রবীন্দ্রকাব্যের আলোচনা আমার অন্যান্য বইতে বিস্তারিত করা হয়েছে। সেই জন্যই এই বইতে ওই পর্যন্ত কিছু সংক্ষেপে বলা হয়েছে বলাকা পরবর্তী রচনাই বিস্তারিত আলোচনা করা এই গ্রন্থ রচনার লক্ষ্য।
গ্রন্থের চিন্তাসূত্র অক্ষুণ্ণ রাখবার উদ্দেশ্যে একটি পূর্বপ্রকাশিত প্রবন্ধ এই গ্রন্থে সন্নিবেশিত হয়েছে। অলমিতি।