রচনা সমগ্র
রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
নির্মলকুমারী মহলানবিশকে লেখা এক চিঠিতে রবীন্দ্রনাথ প্রবাসের অভিজ্ঞতা লিপিবদ্ধ করার প্রসঙ্গে উপযুক্ত সঙ্গীর অভাববোধ করে লিখেছিলেন, ‘রথীর কলমেরও তেমন দৌড় নেই৷’ পুত্রের লেখার হাত নিয়ে রবীন্দ্রনাথ নিজে বিশেষ কিছু বলে না গেলেও, রথীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা নন্দিনী তাঁর বাবাকে স্মরণ করে লিখেছিলেন, ‘বই পড়াটা একটা নেশার মতো ছিল৷ তার মধ্যে লেখার কাজও করতেন৷ বিভিন্ন প্রসঙ্গে খুব ভালো লিখতে পারতেন৷ একজন সুলেখক হিসাবেও বাবার পরিচিতি ছিল৷’ পুত্র রথীন্দ্রনাথের উদ্দেশে, দুটো আশীর্বাদী কবিতার একটিতে তাঁর পুত্রের ‘ত্যাগের ক্ষেত্র’-কে স্বীকৃতি দিয়ে রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, ‘কর্মের যেখানে উচ্চদাম/সেখানে কর্মীর নাম/নেপথ্যেই থাকে একপাশে৷’ বাবার স্বপ্নের এক নির্বিকল্প সারথি হয়ে, নিজের জন্য নিজের সময় প্রায় না পেয়েও আপন আনন্দে, রথীন্দ্রনাথ প্রায় নীরবেই লেখালেখি করার একটা অভ্যাস বজায় রেখেছিলেন৷ তাঁর বাবার মতোই বাংলা আর ইংরেজি, দুই ভাষাতেই স্বচ্ছন্দ ছিলেন রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর৷ এই দুই ভাষাতেই তিনি লিখেছেন৷ প্রাতিষ্ঠানিক অথবা ব্যক্তিগত চিঠিপত্র ছাড়াও রথীন্দ্রনাথ নানা সময়ে দিনপঞ্জি লিখেছিলেন৷ রথীন্দ্রনাথের লেখালেখির একটা সুন্দর জগৎ ছিল৷
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি