শ্রাবস্তী নগরে বুদ্ধ
নন্দিতা মিশ্র চক্রবর্তী
প্রচ্ছদ রূপায়ণ : সৌজন্য চক্রবর্তী
বিনয় পিটকের মহাবর্গে উল্লেখিত বুদ্ধের সেই মহান উক্তি “চারথ ভিক্খবে চারিকং, বহুজন হিতায়, বহুজন সুখায়, লোকানুকম্পায়, অত্থয়, হিতায়, সুখায়, দেবমনুস্সনং।” বুদ্ধের সেই মহান নির্দেশ মেনে ঋষিপত্তন থেকে তাই ক্রমশঃ ভিক্ষুরা ছড়িয়ে পড়লেন দিকে দিকে, ছড়িয়ে পড়লেন তাঁরা বহুজনের মঙ্গল, সুখ ও হিতের জন্য। তবে বর্ষার কয়েকটি মাস তাঁরা একটি নির্দিষ্ট স্থানেই থাকতেন, এবং ধর্মালোচনায় অতিবাহিত করতেন। অবসর পাওয়ায় তখন ছিন্ন চীবর সেলাই করতেন অথবা সাধারণ বস্ত্রকে গৈরিকবর্ণে রাঙিয়ে চীবর প্রস্তুতও করে নিতেন। শ্রাবস্তী নগরের জেতবন ও পূর্বারাম এই দুটি বিহারে বুদ্ধ তাঁর ধর্মপ্রচারক জীবনের পঁচিশটি বর্ষাবাস করেছিলেন। বৌদ্ধসাহিত্যে তাই শ্রাবস্তী নগরটি বিশেষ উল্লেখযোগ্য। এখানেই বুদ্ধের বহু সূত্র ব্যাখ্যাসহ আলোচিত হয়েছে। আজ জনমানস থেকে প্রায় হারিয়ে যেতে বসা সেই প্রাচীন ও সমৃদ্ধশালী নগর ইতিহাসের শ্রাবস্তীকে আবার পুনরুদ্ধার করার লক্ষ্যে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা— “শ্রাবস্তী নগরে বুদ্ধ”।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি