তোমার পরেই শূন্য
আদর্শ
দুটো আলাদা মেরুর মানুষ তন্দ্রা আর বিহান। দুজনের জগৎ একে অপরের থেকে সম্পূর্ণরূপে আলাদা।
তন্দ্রার জীবন বহু বছর ধরে চিরঅন্ধকারে নিমজ্জিত, সে চোখে দেখতে পায় না। তবে তন্দ্রা এক স্বাধীনচেতা তরুণী। আর অন্যদিকে বিহান একজন সফল আর্কিটেক্ট, পাশাপাশি তার অপর পরিচয়— সে একজন বিখ্যাত লেখক। ভাগ্যের অমোঘ নিয়মে মিলে যায় তাদের দুজনের জীবন। বিহানের সান্নিধ্য তন্দ্রাকে দেয় মুক্তির এক অনন্য স্বাদ। তারা প্রেমে পড়ে।
কিন্তু তাদের এই সুন্দর সাজানো পৃথিবী মুহূর্তে উলটপালট হয়ে যায় এক ঘৃণ্য চক্রান্তে। জটিল অস্ত্রোপচারের পর তন্দ্রা তার চোখের দৃষ্টি ফিরে পেলেও হারিয়ে ফেলে তার জীবনের একমাত্র আলো— বিহানকে। তার জীবনের আনন্দ নিমেষে রূপ নেয় এক গভীর শূন্যতায়।
একটি পুরনো ডায়েরির সূত্র ধরে তন্দ্রা পৌঁছায় একটি পাহাড়ি উপত্যকায়। কিন্তু তারপর তন্দ্রা কি পারবে বিহানকে খুঁজে বের করতে? নাকি বিশ্বাসঘাতকতা আর ভাগ্যের নিষ্ঠুর খেলায় ভালোবাসা হারিয়ে যাবে চিরতরে?
এই উপন্যাসজুড়ে প্রেম, বিশ্বাস, ঘৃণা ও দ্বন্দ্ব পরস্পরের সঙ্গে মিলে গেছে এক সরলরেখায় । এই উপন্যাসকে তাই শুধু প্রেমের উপন্যাস বললে ভুল বলা হবে। আমাদের জীবনে যেমন কান্না-হাসি, দুঃখ-আনন্দ একসঙ্গে জড়িয়ে থাকে, এই গল্পটিও তেমনই। ‘তোমার পরে শূন্য’ উপন্যাসে লেখক মুড়ে দিয়েছেন এক টুকরো বাস্তব জীবনকে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি