বিশ্বসাহিত্যের জানালা
ঋতম্ মুখোপাধ্যায়
বিশ্বসাহিত্য, কম্প্যারেটিভ লিটারেচারের এমনই নাম দিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ। বলেছিলেন 'গ্রাম্য সংকীর্ণতা হইতে নিজেকে মুক্তি দিয়া বিশ্বসাহিত্যের মধ্যে বিশ্বমানবকে দেখিবার লক্ষ্য আমরা স্থির করিব, প্রত্যেক লেখকের মধ্যে একটি সমগ্রতাকে গ্রহণ করিব'। মূল ভাষায় কিংবা অনুবাদে বিশ্বসাহিত্যপাঠ আমাদের মনকে যে মুক্তির পরিসর দেয়; তুলনার দর্পণে আমরা যেভাবে নিজস্ব শিল্প-সাহিত্যকে নতুনভাবে চিনতে পারি তুলনামূলক সাহিত্যপাঠের সার্থকতা সেখানেই নিহিত। তাই প্রভাব-প্রেরণা কিংবা সদৃশ সাহিত্যকর্মের তুলনার পাশাপাশি অনুবাদবীক্ষাও বিশ্বসাহিত্যপাঠের জানালা খুলে দিতে পারে এখন। দেশি বা বিদেশি টেক্সটের পাঠসূত্রে পূর্ববর্তী পাঠের অভিজ্ঞতাও অর্থময় হয়ে ওঠে বারংবার। এই 'বিশ্বসাহিত্যের জানালা' বইয়ের প্রবন্ধগুলিতে ধরা রয়েছে তুলনামূলক পাঠপদ্ধতিতে বিশ্বাসী তেমনই এক প্রাবন্ধিকের নিজস্ব পঠনমুদ্রা, যাকে তাত্ত্বিক পরিসরে 'পাঠকের অভ্যর্থনা' বললেও অসংগত হবে না।
লেখক পরিচিতি :
ঋতম্ মুখোপাধ্যায় (জন্ম: ২৩ মে, ১৯৮৩) প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক, প্রাবন্ধিক ও কবি। তাঁর পিএইচ.ডি গবেষণার বিষয় ছিল: 'রবীন্দ্র-পরবর্তী বাঙালি কবির ঈশ্বর-ভাবনা'। বর্তমান চর্চার বিষয়: তুলনামূলক সাহিত্য, আধুনিক কবিতা, অনুবাদতত্ত্ব ও ইকোক্রিটিসিজম। যে-কোনো সাহিত্য ও শিল্পকর্মের তুলনামূলক পাঠে আগ্রহী তিনি। এযাবৎ প্রকাশিত গ্রন্থ পনেরো। লিটল্ ম্যাগাজিনের নিয়মিত লেখক, মাঝে মাঝে সাংবাদিক গদ্যও লেখেন। প্রবন্ধ ও গ্রন্থ-সমালোচনা লিখেছেন দেশ, অনুষ্টুপ, মাসিক কৃত্তিবাস, নাট্যচিন্তা, কবিতীর্থ, জিজ্ঞাসা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকাতে। পড়াশুনার জন্য পেয়েছেন একাধিক রৌপ্য পদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুবর্ণপদক; সাহিত্যচর্চার জন্য কৃত্তিবাস, অভিযাত্রী, কথাকৃতি, কলকাতার যীশু ইত্যাদি ছোটপত্রিকার সংবর্ধনা ও স্মারক সম্মান। অবসরযাপন: গান শোনা, কবিতা পড়া, সপরিবার ভ্রমণ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি