মহাকাব্যের নারী : অন্য আলোয়
অনিন্দিতা সেন
নারীও রক্তমাংসের মানুষ। আশা-আকাঙ্খার দোলাচল কি মহাকাব্যেও নাড়া দিয়েছিল আলোকিত বিশেষত অনালোকিত নারী চরিত্রগুলিকে? বিষয়টি বেশ ভাবনার, তাই না! আধুনিক প্রেক্ষাপটে বিচার করতে গেলে আমরা অসংখ্য মিল ও অমিল খুঁজে পাই। মহাকাব্যের নারীরা স্বাধীনতার আস্বাদ পেয়েছিলেন কি না, না কি গৃহবন্দী হয়েই জীবন কেটেছে তাঁদের, এই ধরনের অনেক প্রশ্নই মনের মধ্যে থেকে যায়। নারী ও পুরুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি কি সেই মহাকাব্যের সময় থেকেই! দুইই একে অন্যের পরিপূরক, তবুও নারীর শিক্ষা ও স্বাধীনতার ক্ষেত্রে সমাজ ব্যতিক্রমী কেন! 'বিবাহ হল নারীর উপনয়ন, স্বামীর গৃহে জীবন কাটানো গুরুগৃহবাস এবং স্বামীসেবা বেদপাঠ'। মনুসংহিতার সময় থেকেই নারীর প্রতি এই ধরনের তাচ্ছিল্যের ভাব নারী পুরুষের বিভেদের শিকড় প্রোথিত করেছে অনেক গভীরে। তবুও বৈদিক যুগে নারীর যে স্বাধীনতার কথা জানা যায়, যুগ পরিবর্তনের সাথে তা যেন খর্বিত অনেকখানি।
মহাকাব্যের আলোকিত ও অনালোকিত নারীচরিত্রদের নিয়েই বিশ্লেষণধর্মী ও সাহিত্যরসে সিক্ত এই গ্রন্থ নামকরণ পেয়েছে 'মহাকাব্যের নারী: অন্য আলোয়'।
লেখক পরিচিতি :
দুর্গাপুর হেমশীলা মডেল স্কুল থেকে অবসরপ্রাপ্ত জীববিজ্ঞানের শিক্ষিকা ও শাস্ত্রীয় নৃত্যে পারদর্শিনী অনিন্দিতা সেন একজন শব্দ-চাষি। আবেগ তাড়িত হয়ে ছড়িয়ে দিতে পারেন চোখের ভিতর বানভাসি জল! লেখাপড়া ও জীবিকার জন্য আসানসোল-দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলের বাসিন্দা অনিন্দিতা। তাঁর এক একটি কবিতার ঋজুমন্ত্রে তিনি বেঁধেছেন অনুভূতির কিছু টুকরো স্মৃতি।
হৃদয়ের পংক্তিতে উচ্ছাস ও পলাশের বনে রঙের বন্যার মতো মউল দ্বারা প্রকাশিত একক কাব্যগ্রন্থ 'নির্জনের নীল সীমানায়' (২০১৯), 'নির্ঘুম রাত্রিবাস' (২০২০), পৌষালি প্রকাশনা দ্বারা প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস 'অর্ধযামিনী' (কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২২)।
এছাড়াও রয়েছে আরও দুটি একক কাব্যগ্রন্থ 'উতল হাওয়া' (আল্পনা প্রকাশনী দুর্গাপুর) ও টার্মিনাস দ্বারা প্রকাশিত'প্রবহ' (কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলা ২০২৩)।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি