দেড় ডজন নাড়ুমামা
চন্দন চক্রবর্তী
আমাদের আশেপাশে এমন কিছু চরিত্র দেখতে পাই, যাদের দেখলে বা তাদের কথা শুনলেই গম্ভীর মানুষেরও পেট ফেটে হাসি বেরিয়ে আসে। তার উপর তারা যদি গপ্পোবাজ হন, তবে তো আর কথাই নেই। ছেলে থেকে বুড়ো সব্বাই মজা পায় তাদের আজগুবি গল্পো শুনে। তেমনই এক গপ্পোবাজ চরিত্র নাড়ুমামা। যত্তসব আজগুবি গল্পো তার ঝুলিতে ভরা। আর সেইসব গল্পের নায়ক চরিত্রে অবশ্যই থাকেন তিনি নিজে। কচিকাঁচা দেখলেই সেই নাড়ুমামা তার ঝুলি থেকে বের করে দেন মনগড়া মজার গপ্পো। চন্দন চক্রবর্তী সৃষ্ট সেই নাড়ুমামার নিজের মুখে বলা আঠারোটা গল্প নিয়েই এই বই 'দেড় ডজন নাড়ুমামা'।
লেখক পরিচিতি :
সুপ্রসিদ্ধ লেখক চন্দন চক্রবর্তী ১৯৫০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এক প্রত্যন্ত গ্রাম দেউলপোতায় জন্মগ্রহণ করেন।
পঞ্চান্ন বছর বয়সে এসে তার লেখালেখি শুরু। ছোটদের গল্প-উপন্যাস, বড়দের গল্প-কবিতা-উপন্যাস, সবধরনের লেখা লেখেন তিনি। আখ্যানে যেমন প্রেম প্রকৃতির গন্ধের সাথে সমাজ জীবনের বিভিন্ন স্তরের মানুষের জীবন-কথা উঠে আসে, তেমন কখনও বাস্তবতার সীমিত পরিবেশ পেরিয়ে পৌঁছে যান বিমূর্ততার জগতে।
ইতিমধ্যে দেশ, আনন্দ বাজার, সানন্দা, এবেলা, আনন্দমেলা, সন্দেশ, উনিশ কুড়ি, বর্তমান, আজকাল ইত্যাদি পত্রিকায় লিখেছেন। এছাড়া রয়েছে পরিচয়, সাহিত্য দর্পণ, আরাত্রিক, সুইনহোস্ট্রিট, একমাত্র, ঝালাপালা, মৌচাক, চাঁদের হাঁসি ইত্যাদি বহু পত্রিকায় তার একাধিক লেখা প্রকাশিত।
তার লেখা 'হল্লাগড়ে হট্যগোল' উপন্যাসটি শ্রেষ্ঠ হিসেবে 'শৈবভারতী' পুরস্কৃত করেছিল। চাঁদের হাসি পত্রিকা শ্রেষ্ঠ গল্পের জন্য তাকে পুরস্কৃত করেছিল। জনপ্রিয় এক পত্রিকায় প্রকাশিত তার লেখা 'নাড়ুমামা' সিরিজের গল্পগুলো আদ্যোপান্ত হাসি ও মজায় ঠাসা।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি