দেশবিদেশের রান্না
বেলা দে
রান্নার বই লিখতে বসে প্রথমে রান্নাঘরটির কথা কিছু না বললে লেখা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। প্রথমত, রান্নাঘরটিকে সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। হাত ধোয়ার জন্য একটি ছোট চৌবাচ্চা বা বেসিন থাকলে খুব ভালো। নর্দমাটিও পরিষ্কার রাখতে হবে। কারণ রান্নাঘরে আবর্জনা জমে থাকলে মাছি ও মশা জন্মায়, তাতে রান্নার জিনিসপত্র বিষাক্ত হতে পারে। কাজেই সুগৃহিণীকে সবচেয়ে আগে এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
রান্না যখন আমরা করতে ভালোবাসি তখন 'দেশ-বিদেশের রান্না'ও শিখে রাখলে মন্দ কী, তাই এর জন্য কিছু সাজ-সরঞ্জামেরও প্রয়োজন রয়েছে। আর একটি কথা, দৈনন্দিন জীবনে রান্না যত সংক্ষেপে এবং তাড়াতাড়িতে করা যায় ততই ভালো। সেই কারণে প্রেসারকুকার বা ইস্মিক কুকার ব্যবহার করা যেতে পারে।
রেফ্রিজারেটার আজকাল আর বিলাসিতার পর্যায়ে পড়ে না। একদিন বেশি পরিমাণে বাজার করে আনলে বা বাড়তি রান্নাকরা থাকলে ফ্রিজে রাখতে পারবেন। মধ্যবিত্ত পরিবারে রান্নাঘরের দেয়ালে সুন্দর করে তাক রাখবেন তার ওপর বাসনপত্র, রান্নার জিনিসপত্র, এছাড়া মশলাগুলি ছোট ছোট শিশি বা কৌটোয় ভরে তার গায়ে নাম লিখে সুন্দর করে সাজিয়ে রাখলে দরকারের সময় অসুবিধায় পড়তে হয় না।....
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি