ডুংরির পলাশবনে
বিমল লামা
প্রচ্ছদ: সুপ্রসন্ন কুণ্ডু
পলাশবনের মায়ালোকে
বসন্তে এক পলাশবনের মায়ালোকে হারানো স্মৃতির অবশেষ খুঁজতে আসে এক ব্যক্তি। অবৈধ প্রেমের জটিলতায় দীর্ঘ তিন দশক সে নির্বাসিত ছিল এই মায়ালোক থেকে। প্রত্নতাত্বিকের সংকল্প নিয়ে সে ছেনে ফেলে গোটা পলাশবন। একে একে সংগ্রহ করতে থাকে স্মৃতির ভাঙা খোলামকুচি। সেসব জোড়াতালি দিয়ে সে নির্মাণ করার চেষ্টা করে তার হারানো অতীত। ধীরে ধীরে আকার নিতে থাকে তার বিগত সময়। রূপ নিতে থাকে তার হারানো প্রেমের অবৈধ নায়িকা। ফুটে উঠতে থাকে এক মানবী অবয়ব। রক্ত-মাংসের জীবন্ত সত্তা। কিন্তু নির্মাণ সম্পূর্ণ হতেই তার ভুল ভাঙে। নিজেই সে বিনষ্ট করে ফেলতে চায় তার বিগত অতীতের প্রতিমা। কেন?
যোগিনী ডুংরি
যোগিনী মারা গেছে অনেক দিন। তবু তাকে ডুংরির মাথায় হেঁটে বেড়াতে দেখা যায় চাঁদের রাতে। সাহস করে তার কাছেই মানত করতে বলে ছৌ নাচের ওস্তাদ। বিয়ের দশ বছর পরেও নিঃসন্তান যুবতী পবিতা অচেনা ওস্তাদের ওপর ভরসা করে বেরিয়ে পড়ে নৈশ অভিসারে। জীবনের অন্তিম বাজি ধরে বসে ওস্তাদের সঙ্গে। যোগিনী ডুংরির ছায়ালোকে দুটো নিশাচর জীবের মতো অবৈধ খেলায় মেতে ওঠে পবিতা আর ওস্তাদ। তখনই অন্ধকার ফুঁড়ে বেরিয়ে আসে এক জটা মাথা। তছনছ করে দেয় তাদের সব আয়োজন। বিপন্ন করে ফেলে দুজনের অস্তিত্ব। তাদের ওপর নামিয়ে আনে এক অন্তহীন বিপর্যয়। তারপর...?
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি