কৃত্তিবাসী রামায়ণ : নানা চোখে, বিচিত্র আলোকে
সম্পাদনা : সনৎকুমার নস্কর
সুপ্রাচীন ভারতবর্ষের আদিকাব্য রামায়ণ৷ একইসঙ্গে সেটি প্রথম মহাকাব্যও বটে৷ এর আগে বেদ-উপনিষদ সংরচিত হলেও রামায়ণই প্রথম দীর্ঘ আখ্যায়িকার নিদর্শন৷ এটি শুধু কাব্যও নয়, ভারতবর্ষের জীবনবেদও বটে৷ আদিকবি বাল্মীকির বিপুল প্রজ্ঞা ও সমুন্নত জীবনদর্শন দিয়ে এই মহৎকাব্যের নির্মাণ৷ ধর্মপ্রাণ হিন্দুর কাছে রামায়ণ শুধু কাব্য নয়, প্রণতিযোগ্য ধর্মপুস্তক৷ একাদশ শতকে তামিল ভাষায় কম্বনের রামায়ণ দিয়েই এই গ্রন্থের তর্জমাকর্মের সূচনা৷
পনেরো শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বাংলায় রামায়ণ অনুবাদ করলেন ফুলিয়ার কবি কৃত্তিবাস৷ যিনি সর্বভারতীয় কাহিনিকে রূপ দিলেন বঙ্গের জাতীয় কাব্যে৷ গ্রামীণ সংস্কৃতির রসে জারিত কবি কাব্যের কথায় বুনে দিলেন মূল কাহিনির অতিরিক্ত কিছু উপাখ্যান, চরিত্রে আনলেন বাঙালিত্বের ছোঁয়া, বাঙালিয়ানার স্পর্শ ছড়িয়ে পড়ল এর সামাজিক ও প্রাকৃতিক পরিবেশে, জনজীবনের টুকরো- টাকরায়৷ রামায়ণকেন্দ্রিক সংস্কৃতির লোকায়ত চূর্ণ-বিচূর্ণ রূপ ছড়িয়ে পড়ল বৃহত্তর বঙ্গের যত্রতত্র৷ সেই সংস্কৃতি বহুকৌণিক দৃষ্টিকোণে নানা আলোচকের চিন্তনে রূপ পেয়েছে এই সংকলন গ্রন্থে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি