রহস্যের বর্ণপরিচয়
ইন্দ্রনীল সান্যাল
এই রকম উদ্যোগ বাংলা ভাষায় আগে হয়নি। যোগীন্দ্রনাথ সরকার 'হাসিখুশি' গ্রন্থে বর্ণপরিচয় শিক্ষার জন্যে ছড়া লিখেছিলেন। স্বরবর্ণ শিক্ষার জন্যে 'অ-এ অজগর আসছে তেড়ে' থেকে 'ঔষধ খেতে মিছে বলা'- এই ক'টি পঙ্ক্তি আছে। এই সংকলনে প্রতিটি পঙ্ক্তি নিয়ে একটি করে গোয়েন্দা কাহিনি লেখা হয়েছে, যেগুলির কেন্দ্রে রয়েছে সুনীল সেন। বাংলায় গোয়েন্দা কাহিনির দীর্ঘ ও বৈচিত্রময় ঘরানায় সুনীল সেন নতুন সংযোজন। শখের গোয়েন্দাদের সঙ্গে তার তফাত আছে। সুনীল একটি প্রাইভেট ডিটেকটিভ সংস্থা চালায়, যার নাম 'এজেন্সি'। হেড অফিস কলকাতায় হলেও সারা ভারতে এজেন্সির দশটি শাখা আছে। পুলিশ যে-সব সংবেদনশীল তদন্তে সরাসরি ঢুকতে পারে না বা চায় না, সেইসব ক্ষেত্রে ঢুকে পড়ে সুনীল। শখের গোয়েন্দা আর পুলিশি তদন্ত- কল্পনা আর বাস্তব- এই দুই বিপরীতমুখী জগতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে গোয়েন্দা কাহিনিগুলি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি