রোদের ঠিকানা
দূর্বা চট্টোপাধ্যায়
রূপবান পুরুষ রোদ্দুর। সূর্যের মতোই যৌবনদৃপ্ত। তার নিজের জীবন জুড়ে বিষণ্ণতার ছায়া, তাকে ঘিরে থাকে অতীতের নাছোড় আঁধার। কাহিনিতে রোদ্দুর ছুঁয়ে যায় তিন প্রজন্মের তিন নারীকে: স্নেহশীলা ব্যক্তিত্বময়ী সুপ্রভা অতীতকালের প্রতিনিধি, তাঁর মেয়ে সাহানা ঘটমান বর্তমান। অসুখী দাম্পত্য থেকে বেরিয়ে সাহানা নিজের জীবনকে সাজিয়ে নিতে চাইছে নতুন করে। আর আছে তরাই, সাহানার মেয়ে। তরাই ভবিষ্যৎ, অর্থাৎ জেন জি। আরও অনেক বিচিত্র চরিত্রের উপস্থিতিতে জমজমাট হয়ে যায় ঘটনাপ্রবাহ। রোদ্দুরের বিবাহ-প্রস্তাব কি গ্রহণ করবে সাহানা? তরাইয়ের মধ্যে কি নিজের মেয়ে জুনিকে খুঁজে পাবে রোদ্দুর, নাকি নিয়তির ষড়যন্ত্রে উঠবে কোনো ঝড়-যা তছনছ করে দেবে রোদেলা দিনের স্বপ্ন? তবু সব ঝড় পেরিয়ে এই উপন্যাস জুড়ে ভালোবাসা যেন ধ্রুবতারা হয়ে জেগে থাকে নিরন্তর। কুশীলবরা এগিয়ে যায় আলোমাখা এক সংসারের দিকে, যে সংসারের ঠিকানা শুধুই আলোর… যে ঠিকানা রোদ্দুরের।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি