রুজভেল্টনগর : প্রাচীন কল্যাণী ও তার জনপদের আখ্যান
রিপন হালদার
প্রচ্ছদ : স্বর্ণেন্দু ঘোষ
প্রচ্ছদ ছবি কৃতজ্ঞতা : শাক্য দে
আজ যেখানে কল্যাণী শহর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সম্ভাব্য জাপানি আক্রমণ প্রতিরোধ করতে এই অঞ্চল এবং আশেপাশের পঁয়তাল্লিশটা গ্রাম নিয়ে গড়ে ওঠে "রুজভেল্টনগর"। মূলত মার্কিন সৈন্যদের জন্য এই যুদ্ধশহর নির্মাণ করার উদ্দেশ্যে একদিনের নোটিশে ভিটেছাড়া হতে হয় হাজার হাজার মানুষকে।
একদল উদবাস্তু মানুষ ভাগীরথী-হুগলী পার করে হয়ে পড়ে অতীত অভিযাত্রী। আরেক দল পূর্বে যমুনা বা মথুরা ঝিল পার করে চলতে থাকে ভবিষ্যতের পথে। মাঝখানে পড়ে থাকে বর্তমান। পড়ে থাকে যমুনা নদী, ভবিষ্যতে মথুরা ঝিল হওয়ার জন্য।
সময়ের এই ত্রিমুখী ঘূর্ণির মধ্যে অতি স্বল্প পরিসরে চলে আসেন অনেক ঐতিহাসিক-অনৈতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। তাঁদের কয়েকজন রাজা রামমোহন রায়, ঘোষপাড়ার কর্তাভজা ধর্মের দুলালচন্দ্র, ঈশ্বরগুপ্ত, এবং নিমাই। হ্যাঁ, ভিন্নরূপে তিনিই প্রধান চরিত্র। কয়েকশ বছর পর রিভিজিট করবেন ঘোষপাড়া, কাঞ্চনপল্লী, কুলিয়ায়।
আর আছে সিএএ, এনআরসি, পূর্ব বাংলার মুণ্ডহীন একদল উদবাস্তু এবং মার্কিন সৈন্যদের ফেলে যাওয়া কয়েক হাজার বোমা। হ্যাঁ, তারাও এই আখ্যানের উপজীব্য। এছাড়া আরো অনেকে, অনেক কিছু এসে জড়িয়ে পড়েছে এই ইতিহাস-বর্তমান-ভবিষ্যৎ আশ্রিত আখ্যানে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি