সোনাইগঞ্জের উপাখ্যান
প্রচেত গুপ্ত
এই কাহিনি ব্রিটিশ শাসনকালের। বিদেশি শাসক একদিকে তার পরিধি বাড়াতে চেষ্টা করছে, অন্যদিকে স্বাধীনতা সংগ্রামীরা লড়াইকে করেছেন তীব্র। চোরাগোপ্তা সশস্ত্র হামলা শাসককে বিড়ম্বনায় ফেলছে। তারা আরও নির্যাতন বাড়িয়েছে। সোনাইগঞ্জ নামে এক জনপদকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগোয়। সোনাইগঞ্জ এক সময়ে ছিল গ্রাম। রেলস্টেশনের কারণে ধীরে ধীরে গঞ্জের চেহারা নেয়। আয়তনে ছড়িয়েছে, ব্যবসা বেড়েছে, কাজকর্মের সুযোগ বেড়েছে। ফলে এলাকায় ভাল-মন্দ মানুষের আনাগোনাও বেড়েছে, বিপ্লবীদের আসা-যাওয়া শুরু হয়েছে, তাই শাসকের নজরদারি বেড়েছে। তাদের দালাল, গুপ্তচরেরা নড়েচড়ে বসেছে। এই সোনাইগঞ্জকে জড়িয়ে কিছু নরনারীর উপাখ্যান এই কাহিনি। প্রেম, লোভ, শরীর, দেশ স্বাধীন করার স্বপ্ন, ভালমানুষি, প্রতিহিংসার কাহিনি। শান্ত, বৈদ্যনাথ, বিষ্ণু, গোপাললাল, কমলিকা, সন্ধ্যা, পারুল, কবিতা, কাশীরা কেউ সোনাইগঞ্জে থাকে, কেউ ঘটনাচক্রে সেখানে এসেছে, কেউ এসেছে শাসককে পর্যুদস্ত করার গোপন পরিকল্পনায়। কাহিনিতে নর–নারীর শরীরের ভূমিকা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমন গুরুত্বপূর্ণ রেলস্টেশন দিয়ে বিপ্লবীদের অস্ত্র পাচারের পরিকল্পনা। কমলিকা, সন্ধ্যা, পারুল, কবিতা নামের চার নারী এই কাহিনির চালচিত্র। কাহিনি চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে যেমন উত্তেজনা, আগ্রহ তৈরি করে, তেমনই জীবনের না এড়ানো সত্যকে সামনে আনে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি