সোনার হরিণ নেই

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
আশুতোষ মুখোপাধ্যায়

মূল্য
₹645.00 ₹700.00 -8%
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন
সোনার হরিণ নেই 

আশুতোষ মুখোপাধ্যায় 

'সোনার হরিণ নেই' উপন্যাসের মূল চরিত্র এবং নায়ক বাপী তরফদার কাহিনিকারেরই অন্তর্লীন সত্তার প্রতিফলন। লেখকের উপন্যাসের পরতে পরতে ছড়ানো থাকে জীবনের যে ব্যাপ্ত জটিলতা এবং মানবমনের বিচিত্রমুখী বহুগামী বিন্যাস এবং তারপরেও সবকিছুর উর্ধ্বে যে বিরাজমান অস্তিত্বের ইতিবাচক সদর্থক সার্থকতা, এই উপন্যাসের কাহিনিতেও তার ব্যতিক্রম নেই। কাহিনির নায়ক বাপী তরফদারের যে অনুসন্ধান- মানবজীবনের মূল সার্থকতার সোনার চাবিকাঠিটি আসলে 'কী' এবং পার্থিব জগতের সমস্ত কাঙ্ক্ষিত বস্তু, কামিনী-কাঞ্চন, অর্থ-যশ-খ্যাতি, সোনার পাহাড়, হীরের পাহাড়, অতুল বিত্তবৈভবের মণিরত্নের পাহাড়ের পরেও সর্বত্যাগী, যোগী মহাত্মার 'আগে বাড়ো' কথাটির আসল অর্থ কোনখানে-সেই নিগূঢ় খোঁজই সাহিত্যিকের নিজেরই আত্মানুসন্ধান। সকল কিছু প্রাপ্তির পরেও অধরা থেকে যায় 'সোনার হরিণ'। তাকে পেতে গেলে খুঁজতে হবে নিজের অন্তরে।

পাহাড়ি জঙ্গলে ঘোরার সময় নায়ক বাপী তরফদারের দেখা হয়েছিল জটাজুট সমন্বিত ত্রিশূলধারী এক নগ্ন সন্ন্যাসীর সঙ্গে, তারই মুখনিঃসৃত 'আগে বাড়ো। মিল যায়গা'-বাপীকে ঠেলে দেয় চরম আত্মিক উত্তরণে। সেখান থেকেই শুরু হয় ভোগী, বিলাসী, অর্থ-প্রতিপত্তিকামী, ঈঙ্গিত নারীকে করায়ত্তকারী পুরুষের জীবনের আমূল পালাবদল। সন্ন্যাসীর মুখনিঃসৃত চারটি শব্দ বারবার তাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়। নিজের ভেতরেই শেষপর্যন্ত সে পেয়ে যায় মানবজীবনের শ্রেষ্ঠ সম্পদ আত্মশুদ্ধি এবং শাশ্বত ঐশ্বর্যের সন্ধান চির অধরা সেই 'সোনার হরিণ', যাকে অন্বেষণ করতে করতে খুঁজে পাওয়ার নামই 'জীবন'। যে 'জীবন'-এ জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বিশ্বাস রেখে গিয়েছেন লেখক।

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

সংশ্লিষ্ট বই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি