শুকতারা-র ১০১ ভূতের গল্প (৩)
মুখে আমরা প্রায়ই বলি বটে ভূতটুত বিশ্বাস করি না, ওসব আমাদের কুসংস্কার, কিন্তু সেরকম পরিবেশে গিয়ে পড়লে অতি বড়ো অবিশ্বাসীরও গা ছমছম করে, মনে মনে রামনাম জপতে শুরু করেন। তার চেয়েও বড়ো কথা, ভূত বিশ্বাস করি বা নাই করি ভূতের গল্প করতে আমরা সকলেই ভালোবাসি। এদেশে এবং বিদেশে যাঁরা ভূতের গল্প লিখে বিস্তর নাম করেছেন তাঁদের বই হাতে পেলে ছাড়া যায় না। আমাদের রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা আমেরিকান লেখক এডগার অ্যালান পো-র মতো বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিকও ভূতের গল্প লিখেছেন।
সেসব গল্প ছোটরা তো বটেই, বড়োরাও পড়ার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে থাকেন।
শুকতারা অনেক দিনের পত্রিকা, বহু বিখ্যাত লেখক অনেক রকম ভূতের গল্প এখানে লিখেছেন।
সেই সব গল্প থেকে সেরা ভূতদের নির্বাচন করে আমরা একশো এক ভূতের গল্প প্রকাশ করার পরিকল্পনা করি কয়েকবছর আগে। সে বই অত্যন্ত তাড়াতাড়ি নিঃশেষ হয়ে যায়। তাতে উৎসাহিত হয়ে আমরা আরো একশো এক ভূতের গল্প বার করি, সেই বইও দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যায়। সেই জন্যেই এবার এই তৃতীয় খণ্ডের পরিকল্পনা। তখন যাঁরা লিখতেন তাঁরাও যেমন সব নামী-দামি লেখক, এখনকার লেখকরাও কিছু কম যান না, তোমরা যারা ভূতের গল্পের পোকা তারা প্রত্যেকে জানো এঁরা কেমন লেখেন। এই খণ্ডে যাঁরা আছেন তাঁদের কয়েকজন হলেন হেমেন্দ্রকুমার রায়, হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়, স্বপনবুড়ো, আশাপূর্ণা দেবী, সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ, মহাশ্বেতা দেবী, হিমানীশ গোস্বামী, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সুচিত্রা ভট্টাচার্য, অজেয় রায়, মানবেন্দ্র পাল, সমরেশ মজুমদার। এছাড়া আর যাঁদেরই লেখা আছে তাঁরা কেউই তোমাদের অপরিচিত নন, সকলের লেখাই 'শুকতারা'র পাতায় তোমরা পড়েছ।
একটা দুটো নয়, এরকম লেখকদের লেখা একশো এক ভূত তৈরি হয়ে আছে তাদের ভূতুড়ে কাণ্ড তোমাদের জানাবার জন্যে। কাজেই এসব পড়ে সময় নষ্ট না করে বইয়ের পাতা ওলটাও।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি