তকত-এ-তকদির
দেবদত্তা বন্দোপাধ্যায়
বইয়ের কথা:
ইতিহাস তা সে যে সাম্রাজ্যেরই হোক না কেন সব সময় তমসাচ্ছন্ন। কারণ কিছু ক্ষমতাবান রাজপুরুষ ছাড়া কোনও সাম্রাজ্যের ইতিহাসই সেভাবে লিপিবদ্ধ নেই। ইতিহাস সব সময় সত্যি কথা বলে না, কারণ কোন ক্ষমতাবান মানুষ নিজের চরিত্রের কালো দিকগুলো লিপিবদ্ধ হোক মেনে নিতে পারে না। এসব ইতিহাস লিখেছেন হয়তো কোনও নৃপতির সভাকবি, লেখক কখনোই প্রভুর চরিত্রের অন্ধকার দিকের সবটা তুলে ধরতে সাহস পাননি। কেন আলেকজান্ডার ভারতে প্রবেশ করেও তাঁর বিজয়রথ থামিয়ে ফিরে গেছিলেন আমরা জানি না। কেন হরপ্পা মহেঞ্জোদারো ধ্বংস হয়েছিল তা আজও অজানা। এমন অনেক কেনর উত্তর হারিয়ে গেছে অতীতের বুকে। তাই ইতিহাসের ফাঁক ভরাটের জন্য, সঠিক ব্যাখ্যার জন্য আমাদের যুক্তি নির্ভর কল্পনার আশ্রয় নিতেই হয়। তেমনি ইতিহাসকে বিকৃত না করে ইতিহাস আশ্রিত কয়েকটি উপাখ্যান নিয়ে এ বই, যাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজবংশের উত্থান পতনের কাহিনী।
লেখক পরিচিতি:
দেবদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়
লেখিকার জন্ম উত্তরবঙ্গোর ছোট্ট জনপদ মালবাজারে। পাহাড় ঝরণা আর চা বাগানের মাঝে ডুয়ার্সে বড় হয়েছেন। লেখার শখ ছোট থেকেই, বিভিন্ন দেওয়াল পত্রিকা, লিটিল ম্যাগ থেকে আস্তে আস্তে শুকতারা, নবকল্লোল, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতীর পাতায় আত্মপ্রকাশ। বৈবাহিক সূত্রে বর্তমানে বৃহত্তর কলকাতার বাসিন্দা। দুই সন্তানের জননী। নেশায় এক নিরলস সাহিত্য কর্মী, লিখতে ভালোবাসেন সব রকম বিষয়ের উপর। ছোটদের জন্য রহস্য গোয়েন্দা বা ভৌতিক জরের পাশাপাশি প্রাপ্তমনস্কদের জন্য ঐতিহাসিক, সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস লিখতেও পছন্দ করেন। বিষয় থেকে বিষয়াস্তরে যেতেই ভালোবাসেন। এই বইতে রয়েছে একটি ইতিহাস আশ্রিত উপন্যাস ও চারটি বড় গল্প। প্রতিটি গল্প সত্যকে সামনে রেখে কিছুটা কল্পনার আশ্রয়ে গড়ে উঠেছে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি