ফাজিলের বিক্রম বেতাল
নিখাদ বাঙালি
নিবিড় নিকষ নিগূঢ় নিঝুম নিথর নিঃসার নিঃস্পন্দ নিঃশোক নিদাঘ নিরংশু নিতলসম নিশীথে, নিঃশব্দে নিঃসংশয় নিঃশঙ্ক নিঃসন্দিগ্ধ নিঃসীম নৃপতি নিঃশ্বসনের নিনাদে নিগড়সম নিদ্রিত নিরাকৃতি নিত্যপ্রলয়সম নিঃস্রোতা নিরন্ত নিরালোকে নিবদ্ধ নিকুঞ্জবন নিকৃন্তন করে এগিয়ে চলেছে।
অর্থাৎ ঘুটঘুটে অন্ধকার বনে এক রাজা এগিয়ে চলেছে। বেশ ব্যস্ত হয়েই। এত অন্ধকার যে দুহাত দূরের জিনিস দেখা যায়না।
কারণ দুহাত দূরে কিছু নেই। রাজা হন্তদন্ত হয়ে জঙ্গলের মাঝে একটা ফাঁকা জায়গায় এসে দাঁড়ায়। সামনেই একটা শিশু গাছে আর তাতে জিম্ন্যাস্টিক করতে গিয়ে হার্টঅ্যাটাকে মরে যাওয়ার মতন একটি মৃতিদেহ ঝুলছে।
রাজা বিক্রমাদিত্য একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে আর ভাবে- “কী পাপ করেছিলাম যে মাঝরাতে উড়ন্ত জম্বির সাথে কুইজ খেলছি?”
বিক্রমাদিত্যর স্মৃতিতে কিছুক্ষণের জন্য সেই প্রথম দিনের কথা ভেসে ওঠে।
-----------------------------
একটা লোকের ঘটনাচক্রে তিনটে বাবা। শ্রাদ্ধের সময় তিনজনেরই হাত জল থেকে বেরিয়ে আসে পিন্ড নিতে। কার হাতে পিন্ড দেবে লোকটা? অথবা মায়াবীলোকের এক জল-পরীকে এক রাজা প্রাসাদে নিয়ে আসে, আর মন্ত্রী হার্টফেল করে। কেন? একটি কন্যা একজনকে ভালোবেসে, ফ্যামিলির চাপে আরেকজনকে বিয়ে করে, এবং বিয়ের রাতে বরকে বলে তার প্রেমিক অপেক্ষা করছে। বর রাজী হয়ে যায়, আর কন্যা যায় প্রেমিকের সাথে দেখা করতে। পথে দেখা হয় এক চোরের সাথে। তিনজনের মধ্যে সবথেকে ধার্মিক কে?
রাজা বিক্রমাদিত্যকে এইরকমই উদ্ভট ও কিছুটা প্রাপ্তবয়স্ক কিছু গল্প শুনিয়ে ততোধিক উদ্ভট প্রশ্ন করে বেতাল। এই গল্পগুলো আমরা সকলেই আগে পড়েছি, শুনেছি বা দেখেছি। কিন্তু গল্পগুলোকে হাসির মোড়কে সাজিয়ে যদি এখনকার সামাজিক দৃষ্টিকোণ ও দাঁড়িপাল্লায় মেপে দেখা যায় তাহলে কেমন হবে?
এই বই সেই চেষ্টাই করেছে।
অন্ধভাবে বিক্রমাদিত্যের দেওয়া উত্তর মেনে নেয়নি। দেদার মজার সাথে আলোচনাও হয়েছে প্রচুর, আর বেতালের চিরন্তন প্রশ্নের নতুন
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি