হোমা পাখির আলো
শ্রীময়ী গুহ
হোমা পাখি, বেদ পুরাণে উল্লেখিত অদম্য তেজী এই পক্ষীমাতাদের সন্তানরা মাটি স্পর্শ করেনা, আকাশপথেই ডানা মেলে সূর্যালোকের দর্পণে নিজেদের অপরাজেয় করে তোলে।
সংগ্রামী, দৃপ্ত, দৃঢ়, নিজেদের লক্ষ্যে…
জীবনপথের প্রতিটি ক্ষেত্রে বাধাবিঘ্নদের ফুৎকারে উড়িয়ে, উজ্জ্বল মেঘরাজ্যে যুদ্ধরতা হোমা পাখিরা যুগ যুগান্তর ধরেই বয়ে নিয়ে চলেছে নিজস্ব শ্বাশ্বত আলোর শিখা।
উপন্যাসের নানান স্তরের নারী চরিত্রের মধ্যেই সেই হোমা পাখির উড়ান।
কখনও গর্ভে ধারণ না করেও মাতৃত্বের শক্তি, ভালোবাসা, এবং কঠোরতম শিক্ষাও পরবর্তী প্রজন্মকে তরবারির ন্যায় শানিত করে তোলে ।
নারীর আজন্মকাল অযুত প্রতিকূলতা অত্যাধুনিক সমাজেও,
দৃশ্যমান সামান্যই, হিমবাহের মতো বেশিটাই অদৃশ্য । অনুভূত প্রবলভাবে।
যোদ্ধা মানবীরা শুধুমাত্র ইতিহাসের পৃষ্ঠায় নয়, ঘরে বাইরে সর্বক্ষেত্রে, নিজেদের অপ্রতিদ্বন্দ্বী অগ্নিজাত সাক্ষর রেখে চলেছে দৃপ্ত পদক্ষেপে।
এ উপন্যাস সমস্ত হোমা পাখির উদ্দেশ্যে, যাঁরা হার স্বীকার করেননা কোনও বাধাবিঘ্নর কাছে, তা পুরুষ শাসিত সমাজের অথবা …
অন্যান্য নারীদের থেকেও।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি