কলকাতা ও নোয়াখালি দাঙ্গা
সংকলন ও সম্পাদনা - অর্জুন গোস্বামী
ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ। ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্ট, স্থান কলকাতা। এ-দাঙ্গা ভারতের হিন্দু ও মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে। ওই দাঙ্গা মূলত ঘৃণা ও অবিশ্বাস থেকে।মুসলিম লীগের পাকিস্তান দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে ১৯৪৬ সালের ১৬ আগস্টকে ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবস’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। উপমহাদেশের সর্বত্র মুসলমান সমাজ ওই দিন সকালে কাজ বিরতি রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্য দিকে, হিন্দু জনমত পাকিস্তান-বিরোধী স্লোগানকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ হতে থাকে। অতএব ওই দিন অক্টারলোনি মনুমেন্টে লীগের সমাবেশ যাবৎকালের মধ্যে মুসলমানদের বৃহৎ জমায়েত হিসেবে গণ্য হয়েছিল।কলকাতা দাঙ্গার প্রতিক্রিয়ায় পূর্ববাংলার নোয়াখালি জেলায় হিন্দুদের নিধন শুরু ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর। —এই সংকলনটি কলকাতা ও নোয়াখালির দাঙ্গা যাঁরা নিজেদের চোখে দেখেছেন তাঁদের এবং অন্যদের মর্মন্তুদ লিপিবদ্ধ বিবরণ।পরিশিষ্টে তৎকালীন মুসলিম লীগের ছাত্র-নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৃষ্টিতে ছেচল্লিশের দাঙ্গার বিবরণ। তৎসহ দাঙ্গার সময় ‘হরিজন’ পত্রিকায় মহাত্মা গান্ধীর সম্পাদকীয়গুলিও সংকলনের মূল্যবান সম্পদ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি