Most Wanted দাউদ ইব্রাহিম
মৃণালকান্তি দাস
প্রচ্ছদ : মৃণালকান্তি দাস
তাকে নিয়ে নির্মিত হয়েছে অজস্র সিনেমা। তিন দশক ধরে মুম্বই পুলিশের খাতায় মোস্ট ওয়ান্টেড ব্যক্তি। অন্যদিকে পাকিস্তানের কাছে সুরক্ষিত মেহমান। করাচির ক্লিফটন বিচের কাছে তার বাংলোকে প্রায় দুর্ভেদ্য করে রেখেছে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত তার মাফিয়া চক্রের জাল। হাজার হাজার কোটি অর্থ পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ককে ধার দিয়েছিল বলে সন্দেহ ভারতীয় গোয়েন্দাদের। একসময় ফোর্বস ম্যাগাজিনে তার নাম উঠেছিল পৃথিবীর প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তালিকায়। তাকে ধরার জন্য ভারতীয় পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজছে দিনের পর দিন। আজও। প্রতিপক্ষকে ধ্বংস করা কিংবা নিজের উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য যেকোনও পদক্ষেপ নিতে জুড়ি নেই তার। দাউদ ইব্রাহিম ভেঙে দিয়েছিল অপরাধ সংগঠনের চেনা ছক। ক্ষেত্রবিশেষে ছিল ইতালিয়ান ও মেক্সিকান মাফিয়াদের চেয়েও ভয়ঙ্কর। গোটা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য জুড়েই ছিল তার নেটওয়ার্ক। গড়ে তুলেছিল হাজার হাজার কোটি টাকার বিশাল এক সাম্রাজ্য। দুবাই শহর তখন বিকশিত হচ্ছে। ভারতীয় মাফিয়া ডনদের নিরাপদ আস্তানা হয়ে ওঠে দুবাই। বন্দি বিনিময় চুক্তি না থাকায় দুবাইয়ে কোনও ভারতীয় গ্রেপ্তার হলেও তাকে ভারতে ফেরত আনা যেত না। সোনা চোরাচালান, জাল টাকার ব্যবসা, অস্ত্র সরবরাহ, তোলাবাজি, কন্ট্রাক্ট কিলিং— এসব কাজ দুবাইতে বসেই করত দাউদের কুখ্যাত ‘ডি কোম্পানি’। একসময় দাউদের দলে যোগ দেয় আবু সালেম, ছোটা রাজন, ছোটা শাকিল, লম্বু শাকিল, টাইগার মেমনের মতো কুখ্যাত ডনরা। পুরো মধ্যপ্রাচ্য আর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া জুড়ে ছিল নেটওয়ার্ক। সেই আন্ডারওয়ার্ল্ডের অঘোষিত সম্রাট দাউদ ইব্রাহিম হাসান কস্করকে নিয়েই এই বই।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি