শম্ভল : অকালী (দ্বিতীয় খণ্ড)
সুরজ কুমার দাস
প্রচ্ছদের ছবি : অণির্বান রায়
প্রচ্ছদ রূপায়ণ : সন্তু দাস
গুরুদেব হস্তিবজ্র অনুত্তরমন্ত্রে ঋতকে দীক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু এই অনুত্তরমন্ত্র লাভ করে তার অন্তরে এক দ্বন্দ্বের জন্ম হয়েছে। শম্ভলের মাটিতে সিদ্ধমন্ত্রে দীক্ষিত সব সিদ্ধসাধকদের ভিড়ে তার গুরুদেব তাকে “অ-সিদ্ধ” হতে বলেছেন। কারণ অনুত্তরমন্ত্রের সাধনা হয় না, হয় অ-সাধনা।
তবে গুরুবাক্য মেনে ঋত যখন সেই অ-সাধনার পথে পা বাড়ায়, তখন সে নিজের অজান্তেই কালচক্রের অকালগতিতে চলতে শুরু করে দেয়। সেই অকালগতিপথের একদিকে ছিল তার নিজের অস্তিত্বকে নিয়ে সংশয়, আর একদিকে ছিল এক অভিশপ্ত দেবতার অস্তিত্ব সংকট। অথচ সেই দুই পথের লক্ষ্যে নয় বরঞ্চ অ-লক্ষ্যেই ছিল তাদের দু-জনের উদ্ধারে পথ, তাদের অনুত্তর প্রশ্নের উত্তর।
শম্ভল : অকালী—সেই অলক্ষ্যযাত্রার কাহিনি।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি