সুব্রত মিত্র : আলো-ছায়ার পাঁচালী
তরুণ সেন
বিশ্ব চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সুব্রত মিত্র এমন এক আলোকচিত্রশিল্পী বা ‘ডাইরেক্টর অফ ফটোগ্রাফি’— যিনি বিনা প্রশিক্ষণে এবং পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই, স্টিল ফটোগ্রাফি থেকে মোশন পিকচারে এসে, মুভি ক্যামেরার নৈপুণ্যে, আলোর উদ্ভাবনে, শব্দ সংযোজনে ও সুরসৃষ্টির কর্মযজ্ঞে চিত্র-ভাষার নিখুঁত প্রয়োগে সর্বাঙ্গীণরূপে সফল। তাঁর বহুমুখী প্রতিভা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে, ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে বা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিতে সুসংকলিত আকর গ্রন্থ বেশ দুর্লভ! এই পুস্তক সুব্রত মিত্র চর্চার এক জরুরি প্রথম পদক্ষেপ।
লেখক পরিচিতি :
তরুণ সেনের জন্ম ১৯৫২, মা উমা সেন, বাবা শচীন্দ্রচন্দ্র সেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক বিএ, বি কম, 'ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্স' এফটিটিআই (পুনা)। 'ফটোগ্রাফিক অ্যাসোসিয়েশন অফ দমদম'-এর প্রাক্তন ছাত্র। পেশায় নানান স্থপতি সংস্থায় ফটোগ্রাফারের কাজে যুক্ত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে' খননকার্যের স্থিরচিত্র গ্রাহক রূপে নিযুক্ত। ১৯৮২ সালে 'সিনে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরস গিল্ড'-এর সদস্যরূপে চলচ্চিত্র নির্মাণের কাজে যুক্ত হয়ে তথ্যচিত্র, স্বল্পদৈর্ঘ্য, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের সঙ্গে টিভি সিরিয়ালের অভিজ্ঞতা অর্জন করেন। নানান পত্র-পত্রিকায় চলচ্চিত্র বিষয়ে সাংবাদিকতা, সাক্ষাৎকারভিত্তিক লেখা ও প্রেস-ফটোগ্রাফি। ১৯৮২ থেকে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে চিত্র সমালোচকরূপে 'বসুমতী', 'আজকাল', 'চিত্রণ', 'মহানগর', 'প্রতিক্ষণ', 'চিত্রবীক্ষণ', 'শিলাদিত্য', 'পরিবর্তন', 'অনুষ্টুপ', 'Point Counter Point', 'কারুকথা' পত্রিকায় যুক্ত ছিলেন। স্বশিক্ষিত শিল্পীরূপে চিত্রাঙ্কন ও সৃজনশীল অনুশীলন। অন্য গ্রন্থ 'প্রসঙ্গ : চলচ্চিত্রায়ন'।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি