তারাশঙ্কর : সময় ও সমাজ
ড. আদিত্য মুখোপাধ্যায়
যখন দিকে দিকে মৃত্যুর ৫/১০ বছরের মধ্যেই বিখ্যাত লেখকেরা ফুরিয়ে ফাঁকা হয়ে যাচ্ছেন, তেমন সময়েও ১২৬ বছর বয়সী তারাশঙ্কর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে পথ দেখাচ্ছেন বাংলা সাহিত্যকে । তাঁর মৃত্যুও পঞ্চাশ বছর পেরিয়ে গেছে । তবু তিনি সদর্পে আছেন, থাকবেন । শুধু পাঠক্রমে বা অঞ্চল চর্চায় নয়, দলিত অবাঞ্চিত অবহেলিতদের নায়ক-নায়িকা হিসেবে বরণ করার ক্ষেত্রে অন্যতম অগ্রগণ্য সাহিত্যিক হিসেবে চিরদিন সমাদৃত হবেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। ড. দেবরঞ্জন মুখোপাধ্যায়, ড. সুধীর চক্রবর্তীর মতো মানুষেরা ড. আদিত্য মুখোপাধ্যায়কে এই বইটির জন্য তারাশঙ্কর গবেষণার “পথিকৃত” হিসেবে মর্যাদা দিয়েছেন। তারাশঙ্করের ছোটছেলে সরিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন - “ আদিত্যই সর্বপ্রথম বাবাকে নিয়ে সম্পূর্ণ গবেষণা করল”। এত আলোচিত বইটিই “ তারাশঙ্কর:সময় ও সমাজ”। পাঠক্রমের বাইরেও এক উদার গ্রামবাংলা নিয়ে উপস্থিত । পড়লেই বোঝা যাবে এর সমগ্রতা, লাভপুর এবং রাঢ়বাংলার রূপকার তারাশঙ্করের ব্যাপ্তি ও বিশালতা ।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি