উনিশ শতকের বাংলা ও বাঙালি প্রসঙ্গ: ব্রাহ্মসমাজ
গৌতম নিয়োগী
উনিশশতকের বাংলায়, বাঙালিরা ভাবীকালের জন্য রেখে গিয়েছেন এক চমকপ্রদ ইতিহাস। সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও সেই শতক ছিল নবজাগরণের। সেই কালে কূপমণ্ডুকতা, কুসংস্কার আর গোঁড়ামির বেড়া ভেঙে আধুনিকতার অভিমুখে যাত্রার সূচনা। বাংলার আকাশে পশ্চিম থেকে এসে পড়ল যুক্তিবাদের আলো। ছোঁয়া লাগল নূতন শিক্ষা ও সংস্কৃতির। আবার অভ্যন্তরীণ সমাজ থেকে এলো প্রগতিকামী সংস্কার। স্বভাবতই সমাজে টানাপোড়েন, দ্বন্দ্ব, পরিবর্তন, পরম্পরার লড়াই, ঝড়ের ঝাপটায় কেউ দিগভ্রান্ত, কেউবা উন্মার্গগামী, আবার কেউ রক্ষণশীল। কায়েমি স্বার্থ আঁকড়ে রয়েছেন। সেই ক্রান্তিকালে লক্ষ্য স্থির রেখে, যুক্তি, শাস্ত্র প্রামাণ্য আর সহজ কাণ্ডজ্ঞানকে হাতিয়ার করে সমাজকে পথ দেখিয়েছিল ব্রাহ্মসমাজ। অভ্যন্তরীণ দুবর্লতা, বিরোধ ও বিভাজন সত্ত্বেও ব্রাহ্মসমাজের সার্বিক মুক্তি আন্দোলন নবজাগরনের অন্যতম ক্রিয়াশীল শক্তি। গৌতম নিয়োগী এই গ্রন্থে সেই আন্দোলনের প্রধান ঋত্বিকদের ওপর আলো ফেলে উদ্ভাসিত করেছেন তাদের ভূমিকা। ব্রাহ্মসমাজ বলয়ের বাইরের তিন মনস্বীর সঙ্গে সমাজের সম্পর্কের কৌতুহলপ্রদ কাহিনি ও তিনি শুনিয়েছেন।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি