গৌরী ধর্মপাল সমগ্র ৭ম খন্ড
গৌরী ধর্মপাল (জন্ম ১৯৩১ - মৃত্যু ২০১৪) : সাহিত্যরাজ্যের মর্মমূলে রূপকথার ঠাঁই। সব দেশের, সব কালের রাজা থেকে সব-হারানোর দল, সকল বিত্তশালী থেকে নিরাভরণ কুঁড়েঘরের সকল মানুষের সুখ-দুঃখ, ব্যথা-বেদনা, আশা-আনন্দ, হিংসে-ভালোবাসা এইসব মশলা দিয়ে মিলিয়ে মিশিয়ে তৈরি হয় রূপকথার কাহিনীরা। এখানে শেষ পর্যন্ত সব হারিয়ে যাওয়া মানুষ ফিরে আসে; মা-হারা মা পায়; দুঃখী মানুষ বন্ধু পায়; যার কিছু নেই, সেও। শীতের রাতে গায়ে জড়ানোর নরম-গরম কাঁথা পায়।
তাঁর জীবনব্যাপী লেখা গুলি নিয়ে লালমাটি প্রকাশন-এর উদ্যোগে 'গৌরী ধর্মপাল সমগ্র' সাতটি খণ্ডে প্রকাশিত হয়েছে।
প্রথম খণ্ডে শিশুপোযোগী রূপকথা হলেও, যা সব বয়সের মানুষের মুখে হাসি ফোটায়, বুকের মাঝে লুকিয়ে থাকা শিশুমনকে জাগিয়ে তোলে। এই রূপকথার এক শ্রেষ্ঠ কারিগর, বাংলা শিশুসাহিত্যের এক উজ্জ্বল রত্ন, যার লেখার জাদুতে চারিদিক আলো হয়ে যায়— শ্রীমতী গৌরী ধর্মপাল।
শুধুমাত্র শিশু সাহিত্যিক নন, এছাড়াও বড়োদের জন্য দ্বিতীয় এবং তৃতীয় খণ্ডে অসংখ্য অনুবাদ এবং সংস্কৃত ভাষায় অনায়াসে বিচরণের দক্ষতা এবং বেদের কবিতার সঙ্গে রবির ভাবনা আর তার গান মিলিয়ে গৌরী বহু বছর আগে লিখেছিলেন 'বেদ ও রবীন্দ্রনাথ'।
চতুর্থ খণ্ডে কালিদাসের অভিজ্ঞানশকুন্তলম এর ভাবানুবাদ আছে।
পঞ্চম খণ্ডে গৌরী ধর্মপাল সমগ্রের বাণভট্ট রচিত কাদম্বরীর আশ্চর্য সরস অনুবাদ, যা পড়লে পাঠকের মন পৌঁছে যাবে চন্দ্রাপীড়, মহাশ্বেতা, কাদম্বরী, বৈশম্পায়ন, পুন্ডরিকের জন্ম-জন্মান্তরের প্রেম কাহিনিতে। পুরোনোতুন বেদের কবিতা, যেখানে রয়েছে ঋক্ আর অথর্ব বেদের বেশ কিছু প্রধান সূক্তের অনুবাদ, ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ। যে ব্যাখ্যা বৈদিক সাহিত্যের প্রতি অন্য এক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করে।
ষষ্ঠ খণ্ডে বৈদিক সাহিত্যের ভাষা, তৎকালীন ভারতীয় সমাজ, নানা দেবদেবীর বর্ণনা সংবলিত চব্বিশটি রচনার সংকলন 'বেদ-আবাহন'।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি