ম্যালকম এক্স আত্মজীবনী
অনুবাদ : সৈকত বসু
ম্যালকম এক্স (জন্ম ১৯২৫ – মৃত্যু ১৯৬৫) ছিলেন একজন আফ্রিকান-মার্কিন রাজনীতিবিদ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেব্রাস্কা রাষ্ট্রের ওমাহা শহরে একটি খ্রিষ্টান আফ্রিকান-মার্কিন পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। যিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গদের মানবাধিকার আদায়ের আন্দোলনের অন্যতম নেতা ছিলেন। জন্মের পর তার নাম হয় ম্যালকম লিট্ল এবং ইসলামে ধর্মান্তরিত হলে তার নতুন নামকরণ হয় ম্যালকম এক্স।
আফ্রিকা থেকে জোর করে তুলে আনা জনা কুড়ি নিগ্রোকে নিয়ে ১৬১৯ সালে জাহাজ ভিড়েছিল আমেরিকার ব্রিটিশ কলোনি ভার্জিনিয়ার পয়েন্ট কমফোর্ট জাহাজঘাটায়। মার্কিন-মুলুকে দাস ব্যবস্থার সেটাই সূত্রপাত। ১৮০৮ সালে দাস আমদানি নিষিদ্ধ করার আইন পাশ হলেও দাস ব্যবস্থা বলবৎ ছিল সেই ১৮৬৫-র গৃহযুদ্ধ পর্যন্ত। তবে তার পরেও হাল ফেরেনি আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গদের। জন্মমাত্রই তাঁদের কপালে লেখা হয়ে যেত লাঞ্ছনা, অসম্মান আর অপমানের অশ্রুগাথা। অধিকাংশ কৃষ্ণাঙ্গই সেই জীবন মেনে নিয়েছিলেন ভবিতব্য বলে। কেউ কেউ মানেননি। শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁরা গলা চড়িয়েছেন, বিদ্রোহ করেছেন। সম্মান আর সমানাধিকারের দাবিতে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন শ্বেতাঙ্গ প্রভুদের দিকে, পথে-প্রান্তরের আন্দোলনে ঘাম-রক্ত ঝরিয়েছেন।
তেমনই এক অনন্যসাধারণ বিদ্রোহী ম্যালকম এক্স। আরও এক বার বর্ণবিদ্বেষের ঝোঁক প্রকট হয়ে ওঠা আমেরিকার জাগ্রত প্রতিরোধ-প্রতীক।
ম্যালকম এক্স আত্মজীবনী অ্যালেক্স হেলি মূলত ইংরেজি ভাষায় 'ম্যালকম এক্স আত্মজীবনী' লিখেছিলেন এবং সেটি বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক সৈকত বসু।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি