কালিম্পং হত্যা রহস্য : ডাঃ বিকাশ বিশ্বাস

(0 পর্যালোচনা)
লিখেছেন/সম্পাদনা করেছেন
বিকাশ বিশ্বাস ড.

মূল্য
₹200.00
পরিমাণ
মোট দাম
শেয়ার করুন

কালিম্পং হত্যা রহস্য 

ডাঃ বিকাশ বিশ্বাস 

প্রচ্ছদ - শুভদীপ সরকার 

দুহাতে চুলের গোছা ছাড়িয়ে কপালে লেপ্টে যাওয়া দু একটি কোশের মাঝে চুম্বন,বুকের ওপর বুক, কখনো হাত কখনো বা নরম ঠোঁট ফিরে আসার অঙ্গীকার করে বুকে টেনে নিয়ে শেষবারের মতো চোখে চোখ রেখে বলল ভালবাসি।

 কালিম্পং শহরে ছুটিতে এসেছেন সমর আর এবং তার পরিবার ও কথার বন্ধু অলোকা, অফিসের মিস্টার রয় এবং তার স্ত্রী। একই ট্রাভেলসে যাচ্ছেন ভাস্কর ও তার মা, অনুলতা দেবী। শিলিগুড়ি জংশনে পৌঁছে সবার সাথে আলাপ হতেই সবাই ক্যালিংপং এর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার ঠিক আগে ভাস্করের সাথে একটি লোকের তা ধাক্কা লাগছিল, সেই লোকটিকে সে চেনে আগে দেখেছে একই গাড়িতে আসার সময়। প্রাচীন এই শহরে সাহেবরা কলকাতার গরম থেকে বাঁচতে ঘুরতে আসতেন, এই শহরের প্রায় সবই তাই সাহেবি কায়দায় গড়া। মরগান হাউজ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, রবীন্দ্রনাথের বাড়ি, ডেলো পার্ক, প্যারাগ্লাইডিং ক্যাকটাসের নার্সারি আরো কত কি। সন্ধের দিকে একটি জটলা দেখে ভাস্কর থমকে দাঁড়িয়েছিল, লোকটি কে সে চেনে; আগে দেখেছে, সে খুন হয়েছেন। পুলিশের ধারণা মদ্যপ অবস্থায় তাকে কেউ খুন করে ফেলে গেছে। পুলিশের বড় অফিসার রমেশকে দেখে ভাস্কর চিনতে পারলেন, তারই বন্ধুর দাদা; লোকাল থানার অফিসার, পরিচয় করে ফেরার পথে এক টুকরো কাগজ কুড়িয়ে পকটস্থ করে সে। পরদিন কালিম্পং এর সমস্ত উল্লেখযোগ্য স্থানগুলি তারা ঘুরে দেখতে থাকে। দূরপিন মনস্টারিতে একটা বিশেষ ঘটনা ঘটে, অলোকা দেবী কিছুক্ষণের জন্য উধাও হয়ে গিয়েছিলেন, সাথে একটি লোক; যার একটা বুলেট আছে। ভাস্করের মনে হল তাদের ফলো করা হচ্ছে, সেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাড়ি পর্যন্ত সেটি চলছিল। দুপুরে খাবার খাওয়ার জন্য গোটা টিম একটি হোটেলে ঢুকেছিল, খাওয়া শেষ হতেই আরেকটি ঘটনা আকস্মিক ঘটে গেল। কেউ একজন অলোকা দেবীকে পেছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করেছে, সবার ধারণা তিনি টাল সামলাতে না পেরে পড়ে গেছেন। মরগান হাউসে ঢোকার জন্য কোন পারমিশন ছিল না ভাস্করদের অলোকা কোনো এক জাদুবলে তা করিয়ে দিয়েছেন  এবং তাতে সবাই খুশি, অনেক ধন্যবাদ দিয়েছেন এই উপকারের জন্য, কিন্তু তারপরেও তার মন থেকে দুপুরের ঘটনা  আতঙ্ক যায়নি। সন্ধ্যেবেলায় সবাই হোটেল রুমে ফিরেছেন বেশ ধকল নিয়ে, অলোকা নিজের রুমে চলে যান ফ্রেশ হতে, বাকিরা যে যার রুমে আড্ডা দিচ্ছিলেন। আচমকাই ভুলুর চিৎকার শুনে সবাই ভয় পেয়ে গেল, ভাস্করই প্রথম এল, ঘরের দৃশ্য দেখে সবাই হতবাক, ভাস্কর চুপ, নীরব অলকা দেবী বিছানায় গলা কাটা অবস্থায়; হাত ছড়িয়ে শুয়ে, ভুলু মেঝেতে; হয়তো জ্ঞান হারিয়েছে।

খুনের ঘটনার জন্য ভাস্করকে জড়িয়ে পড়তে হয়। তদন্ত এগোয়ে; অনেক তথ্য সে জোগাড় করে, কলকাতা-কালিম্পং এ বার কয়েক ফোনও করতে হয়েছে তাকে ঘনিষ্ঠ মহলে, বিভিন্ন রকম খোঁজখবর নিতে হয়েছে। রহস্য বড্ড জটিল ধরনের প্রেম, ঈর্ষা, ক্রোধ, যৌনতা, বন্ধুত্ব, জীবনের চাহিদা, ভালোবাসা, দায়িত্ব সবই রয়েছে এতে। এই রহস্য গল্পটি কাল্পনিক হলেও এতে রয়েছে মূল্যবোধ, জীবন বোধ, বাঁচার ইচ্ছে, বেঁচে থাকার কারণ, অন্যের প্রতি নির্ভরশীলতা যা শেখাবে পথ চলতে - যা শেখাবে জীবনে মানুষ বাছতে।

কে সেই খুনি? 

জানতে হলে পড়তে হবে "কালিম্পং হত্যা রহস্য"

পর্যালোচনা ও রেটিং

0 মোট 5.0 -এ
(0 পর্যালোচনা)
এই বইয়ের জন্য এখনও কোন পর্যালোচনা নেই

সংশ্লিষ্ট বই

বই সংক্রান্ত জিজ্ঞাসা (0)

প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য

অন্যান্য প্রশ্নাবলী

কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি