সানাইয়ের ষষ্ঠসুর
দিলীপকুমার মিস্ত্রী
দশ বছরের এক গ্রাম্যবালক সানাই। তাকে ঘিরেই 'সানাইয়ের ষষ্ঠসুর' উপন্যাসের দশ-দরজা খুলে গিয়েছে এক-এক করে। ঠাকুমা এবং উঠোনে দাঁড়িয়ে থাকা কাঁঠালগাছের মৃত্যু সানাইকে ভীষণভাবে দুঃখ দিয়েছে। নিমাইয়ের মতো রূপলাবন্য, তীক্ষ্ম বুদ্ধিধর এবং একটু ভাবুক গোছের ছেলে সানাই সেই শোক কিছুতেই সামলাতে পারে না। বাড়ির একমাত্র সদস্য তার জ্যেঠু যেটুকু তাকে বুঝতে পারে, তার যন্ত্রণা অনুভব করতে পারে। একদিন রাতে জ্যেঠুর সঙ্গে ঘুমোতে যাওয়ার সময়, বিছানায় বসে সানাই জ্যেঠুকে তার পূর্বজন্মের গল্প শোনায়।
সানাই এরআগে ছয়-ছ'বার জন্মগ্রহণ করেছে। কখনও অবিভক্ত ভারতবর্ষে, কখনও দেশভাগের পর পশ্চিমবঙ্গে, কখনও উড়িষ্যায়, কখনও---। তার কথায় উঠে এসেছে দেশভাগের যন্ত্রণা, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, চিন-ভারতের যুদ্ধ, সমকালীন সমাজজীবনের নানান সুখ-দুঃখের কাহিনি। উপন্যাসের পরতে পরতে রয়েছে পাঠকের হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া ছোট-ছোট চিত্রনাট্য; যা একনিঃশ্বাসে পাঠককে প্রথম থেকে টেনে নিয়ে যাবে গ্রন্থের শেষ পাতায়। আসলে, 'সানাইয়ের ষষ্ঠসুর' উপন্যাসটি পাঠের পর, একজন অনুভবী পাঠকের মধ্যে মানুষের পুনর্জন্ম সম্পর্কে জানতে আগ্রহ বাড়িয়ে তুলবেই তুলবে।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি