কবি প্রণাম
সম্পাদক - নলিনীকুমার ভদ্র, অমিয়াংশু ত্রন্দ্র, মৃণালকান্তি দাশ, সুধীরেন্দ্রনারায়ণ সিংহ
কবির প্রয়াণ বৎসরের(১৯৪১ খ্রি.) ডিসেম্বরে, শ্রীহট্টের বাণীচক্র-ভবন থেকে বেরিয়েছিল 'কবি প্রণাম' নামের এই বইটি, যার সম্পাদক চারজনের মধ্যে একজন ছিলেন সেদিনকার তরুণ কবি মৃণালকান্তি দাশ, এ-বইয়ের মূল পরিকল্পনা আর বইটির নামকরণ ছিল তাঁরই।
বাংলাদেশের শ্রীহট্ট(বর্তমান নাম সিলেট) থেকে প্রকাশিত এই বইতে যে কেবল আঞ্চলিক স্মৃতিচারণাই ছিল তা নয়, এছাড়াও প্রমথ চৌধুরী, ক্ষিতিমোহন সেন, শান্তিদেব ঘোষ, বুদ্ধদেব বসুর মতো লেখকদেরও প্রবন্ধ। শ্রীহট্টবাসী অনেকের অসম ও রবীন্দ্রনাথের প্রসঙ্গে নানা স্মৃতিচারণা ছাড়াও এখানে গৃহীত হয়েছিল তখনও পর্যন্ত অপ্রকাশিত মূল্যবান বেশ কয়েকটি চিঠি, যে-চিঠিগুলির অন্যতম একটি হল সত্যভূষণ সেনকে লেখা রবীন্দ্রনাথের লেখা এই কথাগুলি—
"ইংরেজি অনুবাদে আমার ছোটগল্প ইংরেজি পাঠকের ঠিক রুচিকর হয় না তার প্রমাণ পেয়েছি। আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যে গল্প লেখার যে ঠাট প্রচলিত হয়েচে তার সঙ্গে এ সব গল্পের একটুও মিল হয় না- তাই এগুলির ইংরেজি করবার চেষ্টা করা বৃথা বলে আমি মনে করি।
জীবনতথ্যের বিষয়ে এই 'কবি প্রণাম' জাতীয় বইয়ের আজও খুব দরকার আছে রবীন্দ্রচর্চায়। শ্রীহট্টের রবীন্দ্রভক্তদের অনুরাগকেই রূপায়িত করা হয়েছে 'কবি প্রণামে'। আশা করা যায়, সুধীজন এতে কবিগুরুর প্রতি সেই ঐকান্তিক অনুরাগ এবং অকৃত্রিম শ্রদ্ধা বিশদে বুঝতে পারবেন।
প্রবেশ করুন বা রেজিস্টার করুনআপনার প্রশ্ন পাঠানোর জন্য
কেউ এখনো কোন প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেননি